সংসদ ভবনেই হাইভোল্টেজ বৈঠক মোদী-শাহ-রাজনাথের, সঙ্গে রয়েছেন ডোভালও! কী নিয়ে আলোচনা?
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রের প্রথম সারির কেবিনেট মন্ত্রী এবং প্রশাসনিক ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা শীর্ষ আধিকারিকেরা। তালিকায় রয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল।
আরব দুনিয়ার দ্রুত পরিবর্তনশীল উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং তার জেরে ভারতের জ্বালানি সুরক্ষায় সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক মহলে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানির অবাধ জোগান বজায় রাখতে সংসদ ভবনেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির (CCS) জরুরি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সংসদের চলমান বাদল অধিবেশনের মাঝেই এই বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা, কূটনীতি, অর্থ ও জ্বালানি দফতরের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রের প্রথম সারির কেবিনেট মন্ত্রী এবং প্রশাসনিক ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা শীর্ষ আধিকারিকেরা। তালিকায় রয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল।
এছাড়াও রয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, কিরেণ রিজিজু, জে পি নাড্ডা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল-সহ স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ আমলারা।
সরকারি সূত্রের খবর, আরব দুনিয়ার অশান্ত পরিবেশ ভারতের অপরিশোধিত তেল (Crude Oil), বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম সামগ্রী, এলপিজি (LPG) এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এই বৈঠকে।
আঞ্চলিক সংঘাত আরও বৃদ্ধি পেলে বা যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে যাতে কোনও ভাবেই অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহে টান না পড়ে, সে জন্য ভারতের প্রস্তুতি এবং আপৎকালীন ব্যবস্থা (Contingency Measures) কতটা মজবুত, তা খতিয়ে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী।
ভারতের প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের সিংহভাগই আসে আরব দুনিয়ার দেশগুলি থেকে। ফলে ওই অঞ্চলে কোনও বড় মাপের অস্থিরতা তৈরি হলে তা সরাসরি ভারতের অর্থনীতি ও বাজারদরে প্রভাব ফেলার আশঙ্কা থাকে। দেশের শীর্ষ কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক ও জ্বালানি নেতৃত্বের এই যৌথ উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, নয়া দিল্লি গোটা পরিস্থিতির ওপর কতটা কড়া নজর রাখছে। বৈঠক শেষে সরকারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Wow
0
Sad
0
Angry
0
Comments (0)