ছেলের বিদেশে পড়াশোনার বিপুল খরচ টানলেন কী করে? অভিজিতের বাবার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
CJP-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের বাবার সম্পত্তি, বিদেশে পড়াশোনার খরচ ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্তের দাবি তুললেন এক RTI কর্মী। নির্বাচন কমিশন ও আয়কর দফতরে চিঠি।
'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের (Abhijeet Dipke) বাবার আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে শোরগোল ফেলে দিলেন গুজরাতের সুরাটের এক তথ্য অধিকার (RTI) কর্মী। অমিত তিওয়ারি নামে ওই অধিকার কর্মীর অভিযোগ, মহারাষ্ট্র সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হওয়া সত্ত্বেও অভিজিৎ দিপকের বাবা কীভাবে ছেলেকে বিদেশে রেখে পড়াশোনার বিপুল খরচ জোগালেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
এর পাশাপাশি, আইনজীবী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল আন্দোলনকারীদের জন্য যে ১ কোটি টাকার আইনি সহায়তার তহবিল (Legal Defence Fund) ঘোষণা করেছেন, সে বিষয়েও নির্বাচন কমিশন এবং আয়কর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন অমিত তিওয়ারি। নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে সম্প্রতি এই অর্থ সাহায্যের কথা জানিয়েছিলেন কপিল সিব্বল। কিন্তু এই অনুদানের ওপর জিএসটি (GST) প্রযোজ্য হবে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক পর্ষদের (CBIC) কাছে দরবার করেছেন ওই আরটিআই কর্মী।
একই সঙ্গে 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র রাজনৈতিক বৈধতা ও তহবিল সংগ্রহ নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অমিত তিওয়ারির বক্তব্য, “ককরোচ জনতা পার্টি একটি অনিবন্ধিত সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কার্যকলাপ চালাচ্ছে। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯এ (Section 29A) ধারায় দলটি নিবন্ধিত কি না, ১ কোটি টাকা অনুদানের আগে নির্বাচন কমিশনের তা যাচাই করা উচিত।” নিবন্ধিত না হয়ে রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে তহবিল সংগ্রহ কিংবা অনুদান গ্রহণ আইনসম্মত কি না, সে বিষয়ে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Wow
0
Sad
0
Angry
0
Comments (0)