প্রশ্ন ফাঁস রুখতে কড়া আইন! সংসদে নতুন বিল পাশ হতেই মোদী বললেন, 'এবার অন্যায় করলেই...'
প্রশ্ন ফাঁস রুখতে সংসদে পাশ হল পাবলিক এক্সামিনেশন প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস (সংশোধনী) বিল, ২০২৬।
পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার। সংসদে পাশ হলো পাবলিক এক্সামিনেশন প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস (সংশোধনী) বিল, ২০২৬। এই বিলকে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সংসদের দুই কক্ষেই বিলটি পাশ হওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, "গত কয়েক দশক ধরে প্রশ্ন ফাঁসের মতো সমস্যার কারণে কোটি কোটি ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এই সমস্যার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি ছিল।"
সংসদের দুই কক্ষে বিলটি পাশ হওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দশক ধরে দেশজুড়ে এই প্রশ্ন ফাঁসের সমস্যা চলছে। কেন্দ্র বা রাজ্য, সব সরকারকেই এই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। আর এর খেসারত দিতে হয়েছে কোটি কোটি ছাত্রছাত্রীকে, ঝুঁকির মুখে পড়েছে তাদের ভবিষ্যৎ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, পরীক্ষা ব্যবস্থাকে সহজ ও জোরদার করতে সরকার বেশ কিছু বদল আনছে। সেখানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে এবং রাজ্যগুলোর পরামর্শকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যে সমস্ত 'প্রশ্ন মাফিয়া' দেশের শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে, তাদের কোনওভাবেই ক্ষমা করা হবে না। এদের শায়েস্তা করতেই এই কড়া আইনের প্রয়োজন ছিল।
বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এই বিলটি পাশ হয় (যদিও বিরোধী শিবিরের একাংশ তখন সভা থেকে বেরিয়ে যায়)। এর আগের দিন লোকসভায় বিলটি পাশ হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি এক ঐতিহাসিক মোড়। আমাদের কাজ এখানেই থামবে না, এই ধরণের অন্যায় আমরা আর চলতে দেব না।”
নতুন আইনে কী কী শাস্তি হতে পারে?
পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস বা অসাধু উপায়ে যুক্ত থাকলে ৫ থেকে ১০ বছরের জেল এবং ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এছাড়া, যদি কোনও গ্যাং বা বড় চক্র এই কাজ করে, তবে কম করে ৭ বছরের জেল এবং অন্তত ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Wow
0
Sad
0
Angry
0
Comments (0)