মমতার তৃণমূল গরুরগাড়ির হেডলাইট, ‘ডি’-এর অবস্থা আরও খারাপ, দুই শিবিরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ও ঋতব্রতর ডেমোক্রেটিক তৃণমূল—দুই শিবিরকেই কড়া ভাষায় কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ডায়মন্ড হারবার কাণ্ডেও তোপ দাগেন তিনি।
তৃণমূলের দুই খণ্ডকেই এক বন্ধনীতে ফেলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু যেমন নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরকে, তেমন তাঁর কটাক্ষ ধেয়ে যায় ঋতব্রত শিবিরের দিকেও।
বুধবারই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সরিষার একটি বাড়ি থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জানায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই টাকার খোঁজ মিলেছে। যেখান থেকে উদ্ধার হয় সেটি মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদের কার্যালয় বলে পরিচিত।
পরে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ওই বাড়ি গত ২৬ মে মালিককে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "যা বলার কোর্টে বলবেন। হস্তান্তর হয়েছিল না তালা লাগিয়েছিল তা কোর্টে বলবেন। তৃণমূলের এমন অনেক অবৈধ অফিস রয়েছে।"
এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস বলে আর কিছু নেই। একটা মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। গরুরগাড়ির হেডলাইট। আরেকটা ডি তৃণমূল (ঋতব্রত নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস), সেটার অবস্থা আরও খারাপ।"
কালীঘাটপন্থীদের দাবি ছিল, ঋতব্রতরা সরকার তথা বিজেপির দোসর হয়ে কাজকর্ম করছেন। এই প্রথম প্রকাশ্যে ঋতব্রত শিবিরের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করলেন শুভেন্দু।
ঘটনাচক্রে, নির্বাচন কমিশনে দলের মূল নাম এবং প্রতীকের মালিকানা নিয়ে কমিশনে দড়ি টানাটানি চলছে। বৃহস্পতিবার ঋতব্রতদের নথি জমা দেওয়ার কথা। তার আগে শুভেন্দুর মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Wow
0
Sad
0
Angry
0