ইন্দ্রনীলের স্ত্রীকেও ডাকল লালবাজার, ‘মোহনা’র নিরাপত্তারক্ষী বললেন, ‘বউদি এখানে নেই’
গোয়েন্দাদের সূত্রে দাবি, এই দুর্নীতির বিপুল পরিমাণ অর্থ ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী, মেয়ে এবং অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের নামে থাকা একাধিক ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অর্থ লেনদেনের এই চক্রে তাঁর স্ত্রী কতটা জড়িত এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির আসল উৎস কী, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতেই মধুচ্ছন্দা সেনকে সামনাসামনি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে লালবাজারের অ্যান্টি-রাউডি স্কোয়াড ও ইকোনমিক অফেন্স উইং।
দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি ও আর্থিক কারচুপি কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen) গ্রেফতার হওয়ার পর এবার তাঁর স্ত্রী মধুচ্ছন্দা সেনকে তলব করেছে লালবাজার। ইতিমধ্যেই এই মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল-জায়া। এর মধ্যেই কসবার 'মোহনা' অর্থাৎ সেন-দম্পতির বাসভবনে নজর।
এদিন দুপুরে কয়েকজন সেন-বাড়িতে এসেছিল বলে খবর। তাঁদের নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছেন, ‘‘বউদি এখানে নেই। কোথায় আমি জানি না।’’ যদিও যাঁরা এসেছিল, তাঁরা লালবাজারের আধিকারিক কিনা, তা স্পষ্ট নয়।
গত বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর দীর্ঘ জেরা শেষে বেরনোমাত্রই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। অভিযোগ, তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলানোর সময় দুর্গাপুজোর পাস বিতরণ ও স্পনসরশিপের নামে বিপুল অংকের আর্থিক তছরুপ ঘটিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে 'মাস আর্ট' প্রতারণা মামলায় ইউনেস্কোর (UNESCO) নাম ভাঁড়িয়ে ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অন্তত ৩০ কোটি টাকার দুর্নীতি করা হয়েছে বলে দাবি লালবাজারের। পুরো ঘটনাটি প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA)-এর অধীনে তদন্ত করছে ইডি এবং বর্তমানে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Wow
0
Sad
0
Angry
0