আকাশছোঁয়া প্রেম! ১,৪৫৪ ফুট উঁচুতে প্রেমিকাকে আংটি পরিয়ে-চুমু খেয়ে মন জিতলেন রুশ তরুণ
নিউ ইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের ১,৪৫৪ ফুট উঁচু চূড়ায় উঠে প্রেমিকাকে প্রোপোজ করেন এক রুশ যুবক। ভিডিও ভাইরাল হতেই অনধিকার প্রবেশ-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিশ।
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিউ ইয়র্কের আকাশছোঁয়া বহুতল 'এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং'-এর (Empire State Building) একেবারে চূড়ায় উঠে পড়েছেন এক যুবক-যুবতী (Russian Couple)। তার ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চূড়ায় ওঠার পর সেই রুশ যুবক তার প্রেমিকা আংটি পরিয়ে প্রোপোজ করছেন। তবে নীচে নামার পরপরই নিউ ইয়র্ক পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ওই দু'জন।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম ইভান বীরকুস (৩২) এবং যুবতীর নাম অ্যাঞ্জেলা নিকোলাউ (৩৩)। ভিডিওতে দেখা গেছে, ১,৪৫৪ ফুট (৪৪৩ মিটার) উঁচু ওই বহুতলের সূঁচালো চূড়ায় হাঁটু গেড়ে বসে অ্যাঞ্জেলাকে আংটি দিয়ে প্রেমপ্রস্তাব জানান ইভান। এরপর তাঁরা চুম্বন করেন এবং প্রায় ১০ মিনিট সেই বিপজ্জনক উচ্চতায় সময় কাটান। শুধু তাই নয়, বহুতলটির চূড়ায় তাঁরা একটি বড় ব্যানারও মেলে ধরেন, যাতে লেখা ছিল— "When the power of love beats the love of power the world knows peace" (যখন ক্ষমতার লোভের চেয়ে ভালবাসার শক্তি বড় হবে, পৃথিবী তখন শান্তি দেখবে)। এই বার্তাটি মূলত ১৯ শতকের ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের একটি উক্তি, যা অনেকেই ভুলবশত গিটারিস্ট জিমি হেন্ডরিক্সের বলে মনে করেন।
কালো রঙের স্ট্রিটওয়্যার পোশাকে থাকা ওই যুগল নিচে নামার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম 'বিবিসি'-র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ (burglar), বেপরোয়াভাবে বিপদে ফেলা (reckless endangerment), অপরাধমূলক ক্ষতিসাধন (criminal mischief) এবং অবিন্যস্ত আচরণের (disorderly conduct) মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। নিউ ইয়র্কের পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ একটি বডিক্যাম ফুটেজ প্রকাশ করেছেন, যেখানে পুলিশ কর্মকর্তাদের সেই যুগলকে গ্রেপ্তার করতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, "আমাদের এমার্জেন্সি সার্ভিস ইউনিটের কাজের একটি ঝলক।"
কালো রঙের স্ট্রিটওয়্যার পোশাকে থাকা ওই যুগল নিচে নামার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম 'বিবিসি'-র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ (burglar), বেপরোয়াভাবে বিপদে ফেলা (reckless endangerment), অপরাধমূলক ক্ষতিসাধন (criminal mischief) এবং অবিন্যস্ত আচরণের (disorderly conduct) মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। নিউ ইয়র্কের পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ একটি বডিক্যাম ফুটেজ প্রকাশ করেছেন, যেখানে পুলিশ কর্মকর্তাদের সেই যুগলকে গ্রেপ্তার করতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, "আমাদের এমার্জেন্সি সার্ভিস ইউনিটের কাজের একটি ঝলক।"
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Wow
0
Sad
0
Angry
0
Comments (0)