দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রেলারে ধাক্কা বাসের, ঘুমের মধ্যে মৃত্যু ৭ জনের! দগ্ধ একাধিক

দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের রাজস্থানের দৌসা অংশে বুধবার গভীর রাতে একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় ৭ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ২২ জন গুরুতর জখম হয়েছেন।

Jul 01, 2026 - 11:04
0 0
দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রেলারে ধাক্কা বাসের, ঘুমের মধ্যে মৃত্যু ৭ জনের! দগ্ধ একাধিক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রেলারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর আগুনে পুড়ে গেল একটি স্লিপার বাস। রাজস্থানের দৌসায় বুধবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে। মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। জখম ২২।

রাত প্রায় আড়াইটে নাগাদ দ্রুতগতিতে চলা বাসটি প্রথমে একটি ট্রেলারে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের পর বাস এবং ট্রেলার—দুটি গাড়িতেই আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় বাসের ভিতরে আটকে পড়েন বহু যাত্রী। তাঁদের আর্তনাদে এলাকাবাসী এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার সময় অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। সংঘর্ষের জেরে উপরের বার্থে শুয়ে থাকা কয়েকজন ছিটকে নীচে পড়ে যান। প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আগুনে দগ্ধ হয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া মাথায় গুরুতর আঘাত লেগে আরও ২ জন মারা গেছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ভোররাতেই দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করে। আহতদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা ও শিশু। তাঁদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বাসচালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি বাসের অতিরিক্ত গতিও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর উদ্ধারকারী দল এবং দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করে। তাঁদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসের ভিতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। সময়মতো উদ্ধারকাজ শুরু হলে প্রাণহানি আরও কম হতে পারত বলেও অভিযোগ তাঁদের।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বাসের লাগেজ বগিতে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের প্যাকেট রাখা ছিল। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পিছনে সেটিও একটি কারণ হতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও সরকারিভাবে নিশ্চিত হয়নি।

গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, আগুন লাগার উৎস এবং আহতদের পরিচয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Wow Wow 0
Sad Sad 0
Angry Angry 0

Comments (0)

User