নেপালের বিপর্যয় দেখে শিক্ষা! দুর্যোগের আশঙ্কায় কালিম্পং ও উত্তরকন্যায় ঝটিকা সফরে শুভেন্দু

মঙ্গলবার ঝটিকা সফরে উত্তরবঙ্গে পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি। নবান্নের ঘর থেকে দূরনিয়ন্ত্রিত নজরদারিতে ভরসা না রেখে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সার্বিক প্রশাসনিক প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক সফর বলে সূত্রের খবর।

Sep 08, 2026 - 13:22
0 0
নেপালের বিপর্যয় দেখে শিক্ষা! দুর্যোগের আশঙ্কায় কালিম্পং ও উত্তরকন্যায় ঝটিকা সফরে শুভেন্দু

প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালের (Nepal News) সাম্প্রতিক বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং উত্তরবঙ্গের (North Bengal) পাহাড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কার মুখে কোমর বেঁধে ময়দানে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার ঝটিকা সফরে উত্তরবঙ্গে পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি। নবান্নের ঘর থেকে দূরনিয়ন্ত্রিত নজরদারিতে ভরসা না রেখে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সার্বিক প্রশাসনিক প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক সফর বলে সূত্রের খবর। দুর্যোগ নামার আগেই পাহাড়ি এলাকায় চরম সতর্কতা জারি করার পাশাপাশি উত্তরকন্যার শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসবেন তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে (Bagdogra Airport) নেমে সেখান থেকে আকাশপথে কালিম্পংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে বিকল্প সড়কপথে যাওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে। কালিম্পং টাউন হলে আয়োজিত বিশেষ কর্মসূচিতে পাহাড়বাসীর হাতে নানা সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেবেন তিনি। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সাংসদ রাজু বিস্তা, বিধায়ক ভরত ছেত্রী, সোনম লামা ও নোমান রাই।

কালিম্পংয়ের জেলাশাসক কুহুক ভূষণ জানিয়েছেন, টাউন হলের এই সরকারি কর্মসূচির পর স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠক সারবেন মুখ্যমন্ত্রী।

কালিম্পংয়ের পর্ব চুকিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সমতলে ফিরে শিলিগুড়ির (Siliguri) ‘উত্তরকন্যা’য় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের শীর্ষকর্তা ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসবেন। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে, যা যে কোনও মুহূর্তে পাহাড়ের ভৌগোলিক পরিস্থিতি জটিল করে তুলতে পারে।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, উত্তরকন্যার বৈঠকের মূল অভিমুখ কেবল উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পর্যালোচনাই নয়, বরং দুর্যোগ মোকাবিলার আগাম রূপরেখা তৈরি করা। বিশেষ করে পাহাড়ের ধসপ্রবণ এলাকা, সংকীর্ণ ও বিপজ্জনক নদীখাত এবং প্রধান সড়কগুলির নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর জোর দেওয়া হবে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ জনবসতিগুলিতে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়া মাত্রই কীভাবে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছানো যায়, তা সুনির্দিষ্ট করতেই এই মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক সক্রিয়তা।

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Wow Wow 0
Sad Sad 0
Angry Angry 0

Comments (0)

User