কুণাল সজল নওশাদকে দাদাগিরির চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন দেব, হঠাৎ এন্ট্রি ‘বিধানসভার’

দেবের 'দাদাগিরি'র বিশেষ পর্বে কুণাল ঘোষ, নওশাদ সিদ্দিকি, সজল ঘোষ ও মোস্তাফিজুর রহমানকে আমন্ত্রণ। তবে ১৩ আগস্ট সম্ভাব্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

Aug 07, 2026 - 11:00
0 0
কুণাল সজল নওশাদকে দাদাগিরির চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন দেব, হঠাৎ এন্ট্রি ‘বিধানসভার’

টিভি স্টুডিওর সান্ধ্য তর্কে তো রোজই একে অপরকে তুলোধনা করেন, মাইক্রোফোন ভাঙা বাকি থাকে! কিন্তু দেবের মঞ্চে দাদাগিরি দেখাতে পারবেন কে? কুণাল ঘোষ, নওশাদ সিদ্দিকি নাকি সজল ঘোষ। কিংবা এঁদের সবাইকে টেক্কা দেবেন ডোমকলের দুঁদে নেতা মোস্তাফিজুর রহমান? চ্যালেঞ্জ তো সেখানেই।

রাজনীতির উত্তাপ এবার বিধানসভার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরের চার দেওয়াল ডিঙিয়ে সোজা ঢুকতে চলেছে আমজনতার ড্রয়িংরুমে। আর এই মহাযুদ্ধের রিংমাস্টার কে? স্বয়ং দেব! একটি জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো-র বিশেষ পর্বে এক ছাদের নিচে আনছেন শাসক, বিরোধী আর বিদ্রোহী শিবিরের এই চার চেনা মুখকে—কালীঘাট তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকি, সিপিআইএম-এর মোস্তাফিজুর রহমান এবং বিজেপির সজল ঘোষ।

খবর ছড়াতেই পাড়ায় পাড়ায় জল্পনা—‘দাদা’ কি এবার ভোটে জেতার চেয়েও বড় চাল চালছেন?

বিধানসভার হঠাৎ এন্ট্রি!
আগামী ১৩ আগস্ট যেখানে কথা ছিল কে কাকে কতটা গুগলি ফেলতে পারেন তার মহড়া হবে, ঠিক সেখানেই হঠাৎ মেঘ না চাইতেই জল—নাকি জল না চাইতেই বিধানসভার অধিবেশন!
শোনা যাচ্ছে, ওই দিন নাকি বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন বসতে পারে। আর অমনিই 'দায়িত্ববান' জনপ্রতিনিধির মতো দেবকে ছেড়ে বিধানসভার দিকে মন দিয়েছেন রাজনেতারা! সিপিআইএমের মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “টিভি চ্যানেল ডেকেছিল, ভাবলাম যাই। কিন্তু এখন শুনছি বিধানসভা ডাকছে! দেববাবুকে বলব, সময়টা একটু পিছন না ভাই?”
আবার আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকি বলেন,“দিনের সেকেন্ড হাফে যাওয়ার প্ল্যান ছিল। কিন্তু ওই যে... বিধানসভা বলে কথা! দেশের কাজ আগে, খেলা পরে।” কুণালেরও কমবেশি তাই মনোভাব। তাঁর কথায়, “ওঁর অনুষ্ঠান তো বেশ হিট, তাই 'হ্যাঁ' বলেছিলাম। কিন্তু সেখানেও বিল পাস করার কড়াকড়ি! দেবের আয়োজকদের বলব একটু টাইম সামলাতে।” (বাকি রইলেন বিজেপির সজল ঘোষ, তিনি আপাতত ফোন সাইলেন্টে রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়!)

মহাযুদ্ধ হবে তো?
রাজনীতির ময়দানে যাঁরা একে অপরকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েন না, তাঁরা নাকি দেবের মিঠে হাসির সামনে এসে এক গেমে লড়াই করবেন—এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হলে ক্ষতি দর্শকদেরই!
এখন প্রশ্ন হল, রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে দেবের দরবারে এই চার মক্কেল আদৌ শেষমেশ গিয়ে কুইজ খেলবেন, নাকি বিধানসভার স্পিকারের ঘণ্টিতেই বন্ধ হয়ে যাবে এই মেগা-বিনোদনের আলো? অপেক্ষা এখন ১৩ তারিখের!

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Wow Wow 0
Sad Sad 0
Angry Angry 0

Comments (0)

User