জোড়া উপনির্বাচনের জন্য এবার প্রার্থী দিল ঋতব্রত শিবির, আগেই ঘোষণা করেছে কালীঘাট তৃণমূল

শুভেন্দু অধিকারী ও হুমায়ুন কবীরের ইস্তফা দেওয়ার ফলেই এই দুই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। বামেরা জানিয়েছে, নন্দীগ্রাম আসনটি জোট শরিককে ছেড়ে দিয়েছে সিপিআইএম। সমঝোতা অনুযায়ী, বামফ্রন্টের শরিক দল সিপিআই-এর প্রার্থী হিসেবেই এই আসনে লড়বেন শান্তিগোপাল গিরি। আর মিলন প্রধানের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে কংগ্রেস।

Sep 14, 2026 - 19:35
0 0

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর - দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের (By Elections) জন্য এবার প্রার্থী ঘোষণা করেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) শিবির। তাঁদের নন্দীগ্রামের প্রার্থী হয়েছেন মহম্মদ এতেশামুল হক। রেজিনগরে প্রার্থী হচ্ছেন সফিউদ্দিন শেখ।

প্রতীক নিয়ে জটিলতা এখনও অব্যাহত। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে কালীঘাট এবং ঋতব্রত - দুই শিবিরের সঙ্গেই বৈঠক করেছে। কিন্তু জোড়াফুল প্রতীক কারা পাবে, তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এই আবহেই আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য দুই পক্ষই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে প্রার্থী করেছে সঞ্চিতা প্রধান (দে)-কে এবং রেজিনগরে প্রার্থী হয়েছেন রবিউল আলম চৌধুরী।

আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর, এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে হবে এবং ১৯ সেপ্টেম্বর হল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন।

শুভেন্দু অধিকারী ও হুমায়ুন কবীরের ইস্তফা দেওয়ার ফলেই এই দুই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। বামেরা জানিয়েছে, নন্দীগ্রাম আসনটি জোট শরিককে ছেড়ে দিয়েছে সিপিআইএম। সমঝোতা অনুযায়ী, বামফ্রন্টের শরিক দল সিপিআই-এর প্রার্থী হিসেবেই এই আসনে লড়বেন শান্তিগোপাল গিরি। আর মিলন প্রধানের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে কংগ্রেস।

অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা আসনেও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট। বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতা হুমায়ুন কবীরের ছেড়ে দেওয়া এই আসনে সিপিআইএম প্রার্থী হিসেবে লড়বেন বিশিষ্ট আইনজীবী সৈয়দ।

এদিকে প্রতীক ইস্যুতে ঋতব্রত শিবিরের পেশ করা নথির প্রেক্ষিতে আর কিছু বলার আছে কিনা, বুধবারের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরের পেশ করা দাখিলপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর কিছু বলার বা নতুন কোনও নথি জমা দেওয়ার থাকলে, তা ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টের মধ্যে জমা দিতে হবে।

কমিশনের পরামর্শ, সেই নথির একটি প্রতিলিপি ঋতব্রতদের কাছেও পৌঁছতে হবে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরই রাজ্যের দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। কমিশন জানিয়েছে, নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর যদি প্রয়োজন বোধ হয়, তবে ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টেয় দিল্লি নির্বাচন সদনে বিশেষ শুনানির আয়োজন করা হবে। তার পরেই প্রতীক সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।

তবে মমতাকে দেওয়া কমিশনের এই চিঠি বা সময়সীমা নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নয় কালীঘাট শিবির। কমিশনের বৈঠকে উপস্থিত থাকা সাংসদ-আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মবিশ্বাসের সুরেই জানান, নির্বাচন কমিশন কোনও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়নি। 

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Wow Wow 0
Sad Sad 0
Angry Angry 0

Comments (0)

User